মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব

এ,কে,এম,এ, আউয়াল :  ১৯৫৪ সালের ৩ মার্চ পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরাপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং মহকুমা মুজিববাহিনীর কমান্ডার ছিলেন। ১৯৭৯ সালে পিরোজপুর সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০০২ সালে পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-১ আসন হতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এম,এ, সালাম তালুকদার :  ১৯৪২ সালের ১৭ জানুয়ারী পিরোজপুর সদরের কৃষ্ণনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পিরোজপুর শহরে ইস্কান্দার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন এবং এ,এস,টি একাডেমী, নুরুন্নেছা কিন্ডারগার্টেন ভকেশনাল স্কুল, বিপিএড কলেজ, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ২০০৬ সালে ২৩ জুন ইন্তেকাল করেন।

আহসান হবিব :  ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারী পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কবি ও সাংবাদিক। তিনি বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তিনি অনেক কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। তিনি বাংলা একাডেমী ও ২১ শে পদক পুরস্কার লাভ করেন।

জিয়া উদ্দিন আহমেদ : ১৯৫২ সালে পিরোজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালে পকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন পদে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে ছুটিতে থাকাকালীন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বাগেরহাট, সুন্দরবন ও পিরোজপুরের একাংশ নিয়ে ৯নং সেক্টরের অধীনে একটি সাবসেক্টরে এক বিশাল বাহিনী গঠন করে উহার নেতৃত্ব দেন। রায়েন্দা, তুষখালী ও বগির যুদ্ধে তিনি সরাসরি নেতৃত্ব দেন এবং ডিসেম্বর মাসের ১ম সপ্তাহে বাগেরহাট ও পিরোজপুর মুক্ত করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন এবং পরে মেজর হিসেবে পদোন্নতি পান। তিনি পিরোজপুর পেৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।

আইনজ্ঞ

আফতাব উদ্দিন আহমেদ : ১৮৯৬ সালে জন্মগ্রহণ করেনঅ ১৯৫০ সালে পিরোজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং ১৯৫০ সাল পর্যন্ত একটানা পিরোজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালের ২১ আগষ্ট মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যুর পরে তার নামে পিরোজপুর শহরে আফতাবউদ্দিন কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

আলী হায়দার খান : ১৯৪০ সালের ১১ সেপ্টম্বর পিরোজপুরের তেজদাশকাঠী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালে ন্যাপ (মো) কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হিসেবে দলীয় সিদ্ধান্তে পিরোজপুরে চলে আসেন এবং পিরোজপুর মহকুমা আইনজীবি সমিতিতে যোগ দেন। পিরোজপুরে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করতে নেতৃত্ব দেন। বর্তমানে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে কর্মরত।

শ,ম, রেজাউল করিম : ১৯৫৭ সালে নাজিরপুর উপজেলার তারাবুনিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে কর্মরত আছেন। ২০০৯ সালে সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সম্পাদক নির্বাচিত হন।

শামসুল হক চৌধুরী : ১৯৩০ সালের ১৫ মার্চ পিরোজপুর সদরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে ঢাকা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন। ১৯৭২-৭৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সম্পদক নিযুক্ত হন এবঙ ১৯৮৩-৮৯ পর্যন্ত ৬ বার সুপ্রিমকোটূ আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৫ সালে ঢাকায় মৃত্যু বরণ করেন।

উর্ধ্বতন কর্মকর্তা

জাকির আহমেদ খান : ১৯৪৫ সালে পিরোজপুর সদর উপজেলার কুমুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সুপিরিয়র সার্ভিসে যোগ দেন। কর্মজীবনে দেশ বিদেশে বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অবসর গ্রহণ করেন।

মুরশিদ কুলি খান :  ১৯৫৪ সালে পিরোজপুর উপজেলার শংকরপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক হিসেবে চাকুরীতে যোগ দেন। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পদে পদোন্নতি পান। ২০০০ সালে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এরপর জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হিসাবে কর্মরত আছেন।

মিহির কান্তি মজুমদার : ১৯৫৩ সালে পিরোজপুর সদর উপজেলার জুজখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮১ সালে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগদান করেন। চাকুরীকালীন সময়ে তিনি পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন। চাকুরীজীবনে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পদে দয়িত্ব পালন করেন। তিনি সর্বশেষ বাংলাদেশ সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অবসর গ্রহণ করেন।